প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , ০৮:২৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ
বিশ্বের
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালীতে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে
তৈরি হয়েছে চরম অস্থিরতা। গুলি ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নৌ অবরোধ এবং পাল্টাপাল্টি হুমকিতে
পুরো অঞ্চল এখন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
আন্তর্জাতিক
সূত্র জানিয়েছে, ওমান উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে ইরানি বিপ্লবী
গার্ডের গানবোট থেকে গুলি ছোড়া হয়। কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এই হামলা চালানো হয়েছে
বলে অভিযোগ করেছেন জাহাজটির ক্যাপ্টেন। যদিও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, তবে এই ঘটনায়
বৈশ্বিক শিপিং খাতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর
কিছু সময় পরই আরেকটি কন্টেইনার জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়। এতে জাহাজের কিছু
কন্টেইনার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে কে এই হামলার জন্য দায়ী—তা
এখনো নিশ্চিত নয়।
এদিকে,
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মার্কিন
নৌ অবরোধ বজায় রাখার ঘোষণা দেওয়ার পর ইরান পুনরায় হরমুজ প্রণালীতে কঠোর সামরিক নিয়ন্ত্রণ
আরোপ করে। ফলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
লাইভ ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে, বহু জাহাজ মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। ভারতের পতাকাবাহী জাহাজসহ বেশ কিছু তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজকে দিক পরিবর্তন করতে হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই রুটে অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে এবং তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানালেও উত্তেজনা কমার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো দেখা যাচ্ছে না।
এসবিএন / এউরি
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10