প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ , ১০:২১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
নিউইয়র্কে
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পরমাণু অস্ত্র অসংযুক্তি চুক্তি (এনপিটি) পর্যালোচনা সম্মেলনে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক সংঘাত নতুন বৈশ্বিক উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।
সম্মেলনের
১১তম অধিবেশনে ৩৪ জন সহ-সভাপতির একজন হিসেবে ইরানের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দুই দেশের
মধ্যে সরাসরি বাকযুদ্ধ শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই অন্তর্ভুক্তির কড়া বিরোধিতা
করে তেহরানকে আন্তর্জাতিক পরমাণু নীতিমালার জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’
আখ্যা দেয়।
মার্কিন কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছে না এবং তাদের পরমাণু কর্মসূচি সন্দেহজনক। অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের পরমাণু কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ইরান আরও পাল্টা অভিযোগ করে জানায়, বিশ্বের একমাত্র পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারকারী দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ।
এনপিটি সম্মেলনের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি এমন সময় সৃষ্টি হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের এই পরমাণু সম্মেলন এখন শুধু নিরস্ত্রীকরণ আলোচনার ক্ষেত্র নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতির শক্তিশালী দেশগুলোর প্রভাব বিস্তারের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়েছে। বিশ্বশান্তি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক ভবিষ্যৎ—সবকিছুই এখন নির্ভর করছে কূটনৈতিক আলোচনার পরবর্তী ধাপের ওপর। সূত্র: রয়টার্স
এসবিএন/এউরি
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10