প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:১৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ
এর
আগে সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ
দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে নেতা নির্বাচন করবে।
নির্বাচিত সংসদীয় নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। পরে
রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং তার সুপারিশে মন্ত্রিসভার সদস্যদের
চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয় পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অপরদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে অধিকাংশ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে।
সংবিধানের
বিধান অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন
করা বাধ্যতামূলক। সেই ধারাবাহিকতায় দিনের প্রথম ভাগে এমপিদের শপথ এবং বিকেলে মন্ত্রিসভার
শপথের মাধ্যমে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।
রাজনৈতিক
বিশ্লেষকদের মতে, স্থান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে শপথ অনুষ্ঠানকে আরও উন্মুক্ত ও গণমুখী
করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এখন সবার দৃষ্টি নতুন সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার ও মন্ত্রিসভার
গঠনের দিকে।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10