প্রকাশিত: ২২ মে ২০২৬ , ০৯:৪৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্র
ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে আবারও আলোচনার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ এখনো বিদ্যমান।
তিনি বলেন, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন সম্ভব। তবে সন্তোষজনক ও গ্রহণযোগ্য সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিকল্প পদক্ষেপও রয়েছে বলে সতর্ক করেন তিনি। এ সময় মধ্যপ্রাচ্যের চলমান কূটনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ইরান সফরের প্রেক্ষাপটে আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আশাবাদ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোতজবা খামেনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো হবে না।
ইরানের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মতে, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠালে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক হামলার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই এ বিষয়ে তারা কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যেও মতবিরোধের খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে সাম্প্রতিক ফোনালাপে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিই নির্ধারণ করবে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সম্পর্ক ভবিষ্যতে কোন দিকে অগ্রসর হবে।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10