প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬ , ১১:৩৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ
দে শে হাম ও হাম-সদৃশ
উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা আগের তুলনায় কমলেও নতুন আক্রান্তের হার এখনও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার পরও সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে না কমায় বিষয়টি
গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে ১০ হাজারের বেশি নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হাম-সংশ্লিষ্ট উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৮৯ হাজারে পৌঁছেছে। পরিসংখ্যান বলছে, মে মাসের প্রথমার্ধে হাম ও উপসর্গে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২০ হাজারের বেশি এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল শতাধিক। জুনের একই সময়সীমায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও প্রতিদিন গড়ে এক হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা
মনে করছেন, শিশুদের অপুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার দুর্বলতা সংক্রমণ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। তাদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে টিকা গ্রহণের পরও শিশুদের শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে কি না, তা
যাচাই করা প্রয়োজন।
জনস্বাস্থ্য
বিশেষজ্ঞরা শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা, টিকাদান কার্যক্রমের কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাদের মতে, অপুষ্টি দূর না হলে জনগোষ্ঠীর
মধ্যে কাঙ্ক্ষিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা কঠিন হতে পারে।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার ১৩৫ জন হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গে আক্রান্ত হচ্ছেন, যা সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসার ইঙ্গিত দেয়।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10