প্রকাশিত: ০৪ মার্চ ২০২৬ , ১২:০৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইরানের
দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির বিশেষজ্ঞ পরিষদ
তাঁর ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনি-কে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে বলে
ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।
‘অপারেশন এপিক ফিউরি’
নামে কথিত যৌথ সামরিক অভিযানের সময় নিজ বাসভবনে হামলায় খামেনি নিহত হন বলে প্রতিবেদনে
উল্লেখ করা হয়েছে। ইরানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁকে পবিত্র শহর মাশহাদ-এ দাফন করা
হবে এবং রাজধানী তেহরান-এ রাষ্ট্রীয় শোকসভা আয়োজন করা হবে।
খামেনির
মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করছিল একটি পরিষদ, যেখানে ছিলেন আলীরেজা
আরাফি, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই।
পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে মোজতবাকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করে।
অন্যদিকে,
পারমাণবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক
হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে ইরানের বিভিন্ন বড় শহরে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া
যাচ্ছে।
প্রতিশোধমূলক
পদক্ষেপ হিসেবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই
ও আবুধাবি, পাশাপাশি কাতার ও বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে। দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটেও
হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে
তেহরান-সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে
উঠেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর বার্তায় জানিয়েছেন, ইরানের জন্য আলোচনায় ফেরার সুযোগ ‘অনেকটাই শেষ’। চলমান সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তেল স্থাপনা ও কূটনৈতিক মিশনগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত থাকায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10