প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬ , ১০:৫৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ
দে শের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য
রেকর্ড পরিমাণ জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮
হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে
সর্বোচ্চ।
বৃহস্পতিবার
জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের মেয়াদে এটি প্রথম বাজেট এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে তারও প্রথম বাজেট বক্তৃতা।
সরকারের
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন বাজেটে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত
বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫
হাজার কোটি টাকা। অবশিষ্ট অর্থ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণসহ
বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট ঘাটতি জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৬
শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এবারের
বাজেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের
সহায়তায় নতুন তহবিল গঠন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের ঘোষণা থাকতে পারে।
সামাজিক
নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নতুন সুবিধা সংযোজনের পাশাপাশি ২৫ লাখ মানুষের
জন্য ই-হেলথ কার্ড
চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর
জন্য বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচির পরিধিও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
অর্থ
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫
শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫
শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুবসমাজকে
দক্ষতা উন্নয়ন ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে
সম্পৃক্ত করতে বিশেষ বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগও নতুন বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10