প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২৬ , ১০:২৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
প্রাণিসম্পদ
অধিদপ্তরের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ছিল প্রায়
১ কোটি ২৩ লাখের বেশি। এর মধ্যে আনুমানিক ১ কোটির কিছু বেশি পশু কোরবানি হয়েছে। ফলে
বাজারে প্রায় ২২ থেকে ২৩ লাখ পশু অবিক্রীত থেকে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজধানীর
গাবতলী, কমলাপুর ও দিয়াবাড়ীসহ বিভিন্ন অস্থায়ী পশুর হাটে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বড় আকারের
গরুর উপস্থিতি থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। এতে বড় গরুর চাহিদা কমে
যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বড় খামারি ও ব্যবসায়ীরা।
খামারিদের অভিযোগ, ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া, বড় গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ হ্রাস এবং সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পশু প্রবেশের কারণে বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টি ও কাদাযুক্ত হাট পরিস্থিতিও বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
একজন
ব্যবসায়ী জানান, তিনি ঢাকায় ৫০টি গরু নিয়ে এসে মাত্র অল্প সংখ্যক বিক্রি করতে সক্ষম
হয়েছেন, বাকিগুলো ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। একইভাবে অনেক খামারি জানান, উৎপাদন খরচের
তুলনায় কম দামে গরু বিক্রি করায় তাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ
ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক নেতা বলেন, দেশের বেশিরভাগ কোরবানি ছোট গরুর মাধ্যমে
সম্পন্ন হয়, ফলে বড় গরুর বাজার তুলনামূলকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এতে বড় আকারের গরু
উৎপাদনকারী খামারিরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনো চূড়ান্ত হিসাব তৈরি হয়নি এবং মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10