প্রকাশিত: ০৩ মে ২০২৬ , ০৫:০৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বিশ্বসাহিত্যের
কালজয়ী প্রেমকাহিনি রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট-এর হাত ধরে ‘জুলিয়েট ব্যালকনি’
আজ শুধুমাত্র একটি স্থাপত্য উপাদান নয়, বরং প্রেম, আবেগ ও নান্দনিকতার প্রতীকে পরিণত
হয়েছে। এই ব্যালকনি মূলত প্রচলিত বারান্দার মতো বাইরে বিস্তৃত নয় বরং বড় জানালা বা
ফরাসি দরজার সামনে স্থাপিত সরু রেলিং, যা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবনের সৌন্দর্য
বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে।
ইউরোপীয়
স্থাপত্যে বিশেষ জনপ্রিয় এই শৈলীর উৎপত্তি ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে।
সাধারণত পেটা লোহা, ধাতব নকশা বা কাঁচের অলংকরণে তৈরি এসব ব্যালকনি ঘরের ভেতরে আলো-বাতাস
প্রবেশ বাড়ানোর পাশাপাশি বাহ্যিক কাঠামোকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।
শেক্সপিয়রের নাটকে জুলিয়েটের ব্যালকনি দৃশ্যের জনপ্রিয়তার কারণে এই স্থাপত্যরীতির নামকরণ হয় ‘জুলিয়েট ব্যালকনি’। সময়ের সঙ্গে এটি বিশ্বজুড়ে অভিজাত স্থাপত্যশৈলীর অংশ হয়ে ওঠে। বাংলার ঐতিহ্যবাহী জমিদারবাড়ি, রাজপ্রাসাদ কিংবা ব্রিটিশ আমলের ভবনেও এই নকশার প্রভাব স্পষ্ট। রাজস্থানী ঝারোখা কিংবা বাংলার ঝুল বারান্দার সঙ্গে এর মিল পাওয়া যায়। আধুনিক নগরজীবনে সীমিত জায়গার মধ্যেও সৌন্দর্য, রোমান্টিক আবহ এবং খোলামেলা অনুভূতি আনতে জুলিয়েট ব্যালকনি বিশেষভাবে সমাদৃত। স্থাপত্যপ্রেমীদের কাছে এটি কেবল ভবনের নকশা নয়, বরং ইতিহাস, শিল্প ও প্রেমের এক অনবদ্য প্রতিচ্ছবি।
এসব্
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10