ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ২৩ বস্তা টাকা !

স্বাধীনবাংলা, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ৭১ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন :

স্বাধীনবাংলা, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে মানত করলে মনের বাসনা পূর্ণ হয় এমন ধারণা আছে মানুষের মাঝে। এমন ধারণা থেকেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এখানে দান করে থাকেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখের উপস্থিতে শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় মসজিদের ৯টি দানবাক্স খুলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। বাক্সগুলো খুলে দেখা যায়, সেখানে রয়েছে বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গয়নাও।

উল্লেখ্য, প্রতি তিন মাস পরপর পাগলা মসজিদের দান বাক্সগুলো খোলা হয়। শনিবার সেগুলো খোলার পর বাক্সগুলোয় পাওয়া ২৩ বস্তা টাকা এখন গণনার কাজ চলছে। এতে প্রায় ২২০ জনের একটি দল অংশ নিয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এবার আগের সব রেকর্ড ভেঙে টাকা প্রাপ্তির নতুন রেকর্ড হবে।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ আগস্ট মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ২৩ বস্তায় রেকর্ড ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা ছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না ও হীরা পাওয়া গিয়েছিল। তার আগে ৬ মে রমজানের কারণে চার মাস পর দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ১৯টি বস্তায় রেকর্ড ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা ছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না ও হীরা পাওয়া যায়। এছাড়া চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি ৩ মাস ১ দিন পর দানবাক্স খুলে ২০টি বস্তায় ৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা ছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না ও হীরা পাওয়া যায়।

 

এসবিএন

ট্যাগস :

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ২৩ বস্তা টাকা !

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩
সংবাদটি শেয়ার করুন :

স্বাধীনবাংলা, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে মানত করলে মনের বাসনা পূর্ণ হয় এমন ধারণা আছে মানুষের মাঝে। এমন ধারণা থেকেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এখানে দান করে থাকেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখের উপস্থিতে শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় মসজিদের ৯টি দানবাক্স খুলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। বাক্সগুলো খুলে দেখা যায়, সেখানে রয়েছে বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গয়নাও।

উল্লেখ্য, প্রতি তিন মাস পরপর পাগলা মসজিদের দান বাক্সগুলো খোলা হয়। শনিবার সেগুলো খোলার পর বাক্সগুলোয় পাওয়া ২৩ বস্তা টাকা এখন গণনার কাজ চলছে। এতে প্রায় ২২০ জনের একটি দল অংশ নিয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এবার আগের সব রেকর্ড ভেঙে টাকা প্রাপ্তির নতুন রেকর্ড হবে।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ আগস্ট মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ২৩ বস্তায় রেকর্ড ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা ছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না ও হীরা পাওয়া গিয়েছিল। তার আগে ৬ মে রমজানের কারণে চার মাস পর দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ১৯টি বস্তায় রেকর্ড ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা ছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না ও হীরা পাওয়া যায়। এছাড়া চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি ৩ মাস ১ দিন পর দানবাক্স খুলে ২০টি বস্তায় ৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা ছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না ও হীরা পাওয়া যায়।

 

এসবিএন