ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo তিনদিন ধরে চলবে ঘূর্ণিঝড় রেমাল Logo পায়রা-মোংলায় ৭ নম্বর, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর সংকেত Logo এমপি আনার হত্যার রহস্য উদঘাটন,খুনিরা চিহ্নিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo এমপি হত্যাকান্ডে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: ডিবি প্রধান Logo ডিসি-ইউএনওদের জন্য কেনা হচ্ছে ২৬১ বিলাসবহুল গাড়ি Logo এডিপি অনুমোদন Logo বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্রের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম Logo তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করল আবহাওয়া অফিস Logo গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী Logo “স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা পেতে ৮০% এরও বেশি বিড়ি শ্রমিক চান বিকল্প কর্মসংস্থান”

পবিত্রমাহে রমজানের প্রথম জুমা আজ

স্বাধীনবাংলা, ডেস্ক নিউজঃ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪ ৪২ বার পঠিত

সংগ্রহীত ছবি

সংবাদটি শেয়ার করুন :

স্বাধীনবাংলা, ডেস্ক নিউজঃ

পবিত্র রমজান মাসের প্রথম জুমা আজ শুক্রবার। এ মাসের প্রতিটি মুহূর্ত মহান আল্লাহর অনুগ্রহ ভরপুর। আর জুমার দিন হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেশি। ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের আজান হলে তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং কেনা-বেচা বন্ধ কোরো, তা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝ। এরপর নামাজ শেষ হলে ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) অনুসন্ধান করো এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো যাতে তোমরা সফলকাম হও। ’ (সুরা জুমা, আয়াত: ৯-১০)

জুমার দিনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো—

১. জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদাঃ

হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনের পাঁচটি গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো—(১). আল্লাহ তাআলা গুরুত্বপূর্ণ এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন। (২) আল্লাহ তাআলা এই দিনে আদম (আ.)-কে ভূ-পৃষ্টে অবতরণ করিয়েছেন। (৩). এই দিনে আদম (আ.)-কে মৃত্যু দিয়েছেন। (৪). এই দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছুই প্রার্থনা করবে তিনি তা দেবেন। যতক্ষণ সে হারাম কিছু প্রার্থনা করবে না। (৫) এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। ’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮৯৫) আবু লুবাবা বিন আবদুল মুনজির (রা.) থেকে ইহা বর্ণিত।

২. জুমার নামাজ আদায়ঃ

হাদিস থেকে বর্ণিত ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে, সাধ্যমতো পবিত্র হয়ে তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩) সালমান ফারসি থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.)  ইহা বলেন।

অন্য হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মোচন করে; যদি সেই ব্যক্তি সব ধরনের কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ২৩৩)

৩. জুমার দিন গোসল করাঃ

গোসল করা প্রত্যকে ব্যাক্তির জন্য উত্তম। কারণ গোসল করলে শরীর পাকসাফ থাকে। জুমার দিন গোসল করা আউস বিন আউস সাকাফি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তাঁর জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে। ’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৫)

৪. মসজিদে প্রথমে প্রবেশ করাঃ

জুমার দিন মসজিদে আগে প্রবেশ করা ও মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা নিয়ে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, অতঃপর প্রথমে মসজিদে গেল সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যে এরপর মসজিদে গেল, সে যেন একটি গরু কোরবানি করল। আর যে এরপর ঢুকল, সে যেন ছাগল কোরবানি করল, এরপর যে ঢুকল সে যেন মুরগি কোরবানি করল, আর যে এরপর ঢুকল সে এক ডিম সদকা করল।  এরকম অতঃপর ইমাম খুতবার জন্য এলে ফেরেশতারা আলোচনা শোনা শুরু করে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৪১)

৫. জুমার দিন দোয়া কবুল হয়ঃ

জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আসরের পর অনুসন্ধান কোরো। ’ (আবু দাউদ, হাদিস নম্বর : ১০৪৮)

৬. সুরা কাহাফ পাঠঃ

জুমার অন্যতম আমল সুরা কাহাফ পাঠ করা। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য আলোকিত হয়ে থাকবে। আর যে ব্যক্তি এই সুরার শেষ ১০ আয়াত পাঠ করবে অতঃপর দাজ্জাল বের হলে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। ’ (সহিহ তারগিব, হাদিস : ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক : ২/৩৯৯)

৭. গুনাহ মাফ হয়ঃ

সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩  থেকে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর  দুই (০২) জুমার মধ্যবর্তী সময়ের সকল গুনাহ মাফ করেন। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩)

 

৮. দুরুদ পাঠঃ

জুমার দিন নবীজি (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করা পুরোমুসলিম উম্মার একান্ত কর্তব্য ও দায়িত্ব। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং এই দিনে সবাইকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব, তোমরা এই দিনে আমার ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ো।

এসবিএন

ট্যাগস :

পবিত্রমাহে রমজানের প্রথম জুমা আজ

প্রকাশের সময় : ১২:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪
সংবাদটি শেয়ার করুন :

স্বাধীনবাংলা, ডেস্ক নিউজঃ

পবিত্র রমজান মাসের প্রথম জুমা আজ শুক্রবার। এ মাসের প্রতিটি মুহূর্ত মহান আল্লাহর অনুগ্রহ ভরপুর। আর জুমার দিন হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেশি। ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের আজান হলে তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং কেনা-বেচা বন্ধ কোরো, তা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝ। এরপর নামাজ শেষ হলে ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) অনুসন্ধান করো এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো যাতে তোমরা সফলকাম হও। ’ (সুরা জুমা, আয়াত: ৯-১০)

জুমার দিনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো—

১. জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদাঃ

হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনের পাঁচটি গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো—(১). আল্লাহ তাআলা গুরুত্বপূর্ণ এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন। (২) আল্লাহ তাআলা এই দিনে আদম (আ.)-কে ভূ-পৃষ্টে অবতরণ করিয়েছেন। (৩). এই দিনে আদম (আ.)-কে মৃত্যু দিয়েছেন। (৪). এই দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছুই প্রার্থনা করবে তিনি তা দেবেন। যতক্ষণ সে হারাম কিছু প্রার্থনা করবে না। (৫) এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। ’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮৯৫) আবু লুবাবা বিন আবদুল মুনজির (রা.) থেকে ইহা বর্ণিত।

২. জুমার নামাজ আদায়ঃ

হাদিস থেকে বর্ণিত ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে, সাধ্যমতো পবিত্র হয়ে তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩) সালমান ফারসি থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.)  ইহা বলেন।

অন্য হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মোচন করে; যদি সেই ব্যক্তি সব ধরনের কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ২৩৩)

৩. জুমার দিন গোসল করাঃ

গোসল করা প্রত্যকে ব্যাক্তির জন্য উত্তম। কারণ গোসল করলে শরীর পাকসাফ থাকে। জুমার দিন গোসল করা আউস বিন আউস সাকাফি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তাঁর জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে। ’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৫)

৪. মসজিদে প্রথমে প্রবেশ করাঃ

জুমার দিন মসজিদে আগে প্রবেশ করা ও মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা নিয়ে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, অতঃপর প্রথমে মসজিদে গেল সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যে এরপর মসজিদে গেল, সে যেন একটি গরু কোরবানি করল। আর যে এরপর ঢুকল, সে যেন ছাগল কোরবানি করল, এরপর যে ঢুকল সে যেন মুরগি কোরবানি করল, আর যে এরপর ঢুকল সে এক ডিম সদকা করল।  এরকম অতঃপর ইমাম খুতবার জন্য এলে ফেরেশতারা আলোচনা শোনা শুরু করে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৪১)

৫. জুমার দিন দোয়া কবুল হয়ঃ

জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আসরের পর অনুসন্ধান কোরো। ’ (আবু দাউদ, হাদিস নম্বর : ১০৪৮)

৬. সুরা কাহাফ পাঠঃ

জুমার অন্যতম আমল সুরা কাহাফ পাঠ করা। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য আলোকিত হয়ে থাকবে। আর যে ব্যক্তি এই সুরার শেষ ১০ আয়াত পাঠ করবে অতঃপর দাজ্জাল বের হলে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। ’ (সহিহ তারগিব, হাদিস : ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক : ২/৩৯৯)

৭. গুনাহ মাফ হয়ঃ

সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩  থেকে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর  দুই (০২) জুমার মধ্যবর্তী সময়ের সকল গুনাহ মাফ করেন। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩)

 

৮. দুরুদ পাঠঃ

জুমার দিন নবীজি (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করা পুরোমুসলিম উম্মার একান্ত কর্তব্য ও দায়িত্ব। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং এই দিনে সবাইকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব, তোমরা এই দিনে আমার ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ো।

এসবিএন