ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

তামাক পণ্যের মোড়কজাতকরণে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপের মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করুন

মুক্তিযোদ্ধা জিয়ারুল ইসলাম, সাবেক পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরঃ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪ ৬২ বার পঠিত

সংগ্রহীত ছবি

সংবাদটি শেয়ার করুন :

স্বাধীনবাংলা রির্পোটঃ

বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা’র ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) এর প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে উক্ত আইনের বেশ কিছু দুর্বলতা থাকায় সরকার ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন এর সংশোধনী আনে ২০১৩ সালে। কিন্তু সংশোধিত আইনেও বেশ কিছু বিষয় বাদ পড়ে যাওয়ায় এবং স্পষ্ট না থাকায় আইনটি তামাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে যথাযথ ফল আনতে পারছে না।

এই ত্রæটি দূর করতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ছয়টি প্রস্তাবনা উত্থাপন করেছে। এগুলো হলো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধ‚মপান নিষিদ্ধ করা, বিড়ি-সিগারেটের খুচরা শলাকা বিক্রি বন্ধ করা, ই-সিগারেট বাজারজাত বন্ধ করা, তামাকজাত পণ্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর আকার বাড়ানো, সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মস‚চির (সিএসআর) নামে সিগারেট কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করা এবং বিক্রির স্থানে তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শন বন্ধ করা।

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে অন্যতম কার্যকর ক্ষেত্র হচ্ছে তামাক পণ্যে আদর্শ মোড়কীকরণ ব্যবস্থা এবং সচিত্র সতর্কবার্তার ব্যবহার। ২০১৩ সালে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন এর ১০ নং ধারা এর (১) নং দফা মতে সকল তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট বা মোড়কের মূল প্রদর্শনী তলের উপরিভাগে কমপক্ষে পঞ্চাশ ভাগ স্থান জুড়ে রঙ্গিন ছবি সহ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বাংলায় মূদ্রণ করার নির্দেশ থাকলেও প্যাকেট বা মোড়কের ডিজাইন কেমন হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে আইনের এই অস্পষ্টতার সুযোগে তামাক কোম্পানিগুলো আকর্ষণীয় গ্রাফিক্যাল ডিজাইনের সাহায্যে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তাকে সাধারণ জনগণের কাছে খুবই হালকাভাবে উপস্থাপন করার সুযোগ পাচ্ছে।

অন্যদিকে, প্যাকেট বা মোড়কের আকার, প্যাকেট বা মোড়কে তামাকের পরিমাণ বা শলাকা সংখ্যা কত হবে  তা উল্লেখ না থাকার সুযোগে তামাক কোম্পানিগুলো নিজেদের সুবিধা মতো আকার এবং পরিমাণে তামাকজাত দ্রব্য অবাধে বিক্রয় করতে পারছে। আইনের এই ফাঁকগুলো থাকার কারণে সচিত্র সতর্ক বার্তা এবং আদর্শ মোড়কীকরণের মূল উদ্দেশ্য ব্যহত হচ্ছে এবং জনগণকে তামাকে নিরুৎসাহিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

কানাডার ক্যান্সার সোসাইটির ২০২১ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের ১১৭টি দেশ ও অঞ্চলে সচিত্র সতর্কবার্তার বিষয়টি আইনের মাধ্যমে প্রয়োগ করেছে যার মধ্যে ৭০টি দেশ তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে গড়ে কমপক্ষে ৬৫ শতাংশ এবং দশটি দেশে কমপক্ষে ৮৫ শতাংশের অধিক জায়গা জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ করছে। উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর মধ্যে নেপাল ও মালদ্বীপ (৯০%), নিউজিল্যান্ড (৮৭.৫%), ভারত, থাইল্যান্ড ও হংকং (৮৫%), অস্ট্রেলিয়া (৮২.৫%) এবং শ্রীলংকা (৮০%) স্থান জুড়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা মুদ্রণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট বা মোড়কের গায়ে সচিত্র সতর্কবার্তার পরিমাণ মাত্র ৫০ ভাগ যা তামাক নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য সাধনে যথেষ্ট নয়।

একই ভাবে, এফসিটিসি এর ধারা ১১, ১৩ ও ১৬ এর  গাইডলাইন অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী সরকার সমূহের জন্য তামাকজাত দ্রব্য মোড়কজাতকরণে কঠোর বিধিনিষেধ যেমন, বৃহদাকার সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর (৫০ শতাংশের অধিক) প্রচলন, স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং (প্যাকেট বা কৌটার আকার/আয়তন, শলাকার সংখ্যা বা ওজন সমান) বা প্লেইন প্যাকেজিং প্রথা প্রচলন এবং খুচরা শলাকা বিক্রি বন্ধ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এফসিটিসি’র সাথে সামঞ্জস্য রেখে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

এক্ষেত্রে আশা করা যায়, সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার যথাযথ ব্যবহার করতে পারলে, তামাক পণ্যের প্যাকেট বা কৌটায় সতর্কবার্তার আয়তন বাড়ানো গেলে, বিড়ি বা সিগারেটের শলাকার সংখ্যা নির্দিষ্ট করতে পারলে (কমপক্ষে বিশ শলাকায় প্যাকেট) বা প্যাকেট ও কৌটায় তামাকজাত দ্রব্যের পরিমাণ বেশি রেখে নির্দিষ্ট করা গেলে এবং প্লেইন প্যাকেজিং (কোন প্রকার লোগো, রং ও প্রচারণামূলক তথ্য ছাড়া শুধুমাত্র ব্রান্ড ও পণ্যের নাম উল্লেখ) প্রথা প্রচলন করতে পারলে সাধারণ জনগণ বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের মাঝে তামাক পণ্য ক্রয় করার সম্ভাবনা কমানো সম্ভব হবে। কানাডার ক্যান্সার সোসাইটির ঐ একই রিপোর্ট বলছে, সচিত্র সতর্কবার্তার পরিমাণ যত বেশি ফলাফল অর্জনে (জনগণকে নিরুসাহিতকরণে) তা তত বেশি কার্যকরী হবে।

তাই আমি মাননীয় প্রাধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগকে সমর্থন করছি এবং প্যাকেট বা মোড়কের সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০

শতাংশ করার এবং সব ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট, মোড়ক, কার্টন বা কৌটার আকার/আয়তন এবং এগুলোর মধ্যে ন্যূনতম কী পরিমাণ তামাকজাত দ্রব্য থাকবে তা নির্ধারণ করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

লেখকঃ মুক্তিযোদ্ধা জিয়ারুল ইসলাম, সাবেক পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর

 

এসবিএন

 

 

তামাক পণ্যের মোড়কজাতকরণে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপের মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করুন

প্রকাশের সময় : ১২:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪
সংবাদটি শেয়ার করুন :

স্বাধীনবাংলা রির্পোটঃ

বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা’র ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) এর প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে উক্ত আইনের বেশ কিছু দুর্বলতা থাকায় সরকার ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন এর সংশোধনী আনে ২০১৩ সালে। কিন্তু সংশোধিত আইনেও বেশ কিছু বিষয় বাদ পড়ে যাওয়ায় এবং স্পষ্ট না থাকায় আইনটি তামাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে যথাযথ ফল আনতে পারছে না।

এই ত্রæটি দূর করতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ছয়টি প্রস্তাবনা উত্থাপন করেছে। এগুলো হলো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধ‚মপান নিষিদ্ধ করা, বিড়ি-সিগারেটের খুচরা শলাকা বিক্রি বন্ধ করা, ই-সিগারেট বাজারজাত বন্ধ করা, তামাকজাত পণ্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর আকার বাড়ানো, সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মস‚চির (সিএসআর) নামে সিগারেট কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করা এবং বিক্রির স্থানে তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শন বন্ধ করা।

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে অন্যতম কার্যকর ক্ষেত্র হচ্ছে তামাক পণ্যে আদর্শ মোড়কীকরণ ব্যবস্থা এবং সচিত্র সতর্কবার্তার ব্যবহার। ২০১৩ সালে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন এর ১০ নং ধারা এর (১) নং দফা মতে সকল তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট বা মোড়কের মূল প্রদর্শনী তলের উপরিভাগে কমপক্ষে পঞ্চাশ ভাগ স্থান জুড়ে রঙ্গিন ছবি সহ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বাংলায় মূদ্রণ করার নির্দেশ থাকলেও প্যাকেট বা মোড়কের ডিজাইন কেমন হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে আইনের এই অস্পষ্টতার সুযোগে তামাক কোম্পানিগুলো আকর্ষণীয় গ্রাফিক্যাল ডিজাইনের সাহায্যে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তাকে সাধারণ জনগণের কাছে খুবই হালকাভাবে উপস্থাপন করার সুযোগ পাচ্ছে।

অন্যদিকে, প্যাকেট বা মোড়কের আকার, প্যাকেট বা মোড়কে তামাকের পরিমাণ বা শলাকা সংখ্যা কত হবে  তা উল্লেখ না থাকার সুযোগে তামাক কোম্পানিগুলো নিজেদের সুবিধা মতো আকার এবং পরিমাণে তামাকজাত দ্রব্য অবাধে বিক্রয় করতে পারছে। আইনের এই ফাঁকগুলো থাকার কারণে সচিত্র সতর্ক বার্তা এবং আদর্শ মোড়কীকরণের মূল উদ্দেশ্য ব্যহত হচ্ছে এবং জনগণকে তামাকে নিরুৎসাহিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

কানাডার ক্যান্সার সোসাইটির ২০২১ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের ১১৭টি দেশ ও অঞ্চলে সচিত্র সতর্কবার্তার বিষয়টি আইনের মাধ্যমে প্রয়োগ করেছে যার মধ্যে ৭০টি দেশ তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে গড়ে কমপক্ষে ৬৫ শতাংশ এবং দশটি দেশে কমপক্ষে ৮৫ শতাংশের অধিক জায়গা জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ করছে। উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর মধ্যে নেপাল ও মালদ্বীপ (৯০%), নিউজিল্যান্ড (৮৭.৫%), ভারত, থাইল্যান্ড ও হংকং (৮৫%), অস্ট্রেলিয়া (৮২.৫%) এবং শ্রীলংকা (৮০%) স্থান জুড়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা মুদ্রণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট বা মোড়কের গায়ে সচিত্র সতর্কবার্তার পরিমাণ মাত্র ৫০ ভাগ যা তামাক নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য সাধনে যথেষ্ট নয়।

একই ভাবে, এফসিটিসি এর ধারা ১১, ১৩ ও ১৬ এর  গাইডলাইন অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী সরকার সমূহের জন্য তামাকজাত দ্রব্য মোড়কজাতকরণে কঠোর বিধিনিষেধ যেমন, বৃহদাকার সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর (৫০ শতাংশের অধিক) প্রচলন, স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং (প্যাকেট বা কৌটার আকার/আয়তন, শলাকার সংখ্যা বা ওজন সমান) বা প্লেইন প্যাকেজিং প্রথা প্রচলন এবং খুচরা শলাকা বিক্রি বন্ধ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এফসিটিসি’র সাথে সামঞ্জস্য রেখে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

এক্ষেত্রে আশা করা যায়, সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার যথাযথ ব্যবহার করতে পারলে, তামাক পণ্যের প্যাকেট বা কৌটায় সতর্কবার্তার আয়তন বাড়ানো গেলে, বিড়ি বা সিগারেটের শলাকার সংখ্যা নির্দিষ্ট করতে পারলে (কমপক্ষে বিশ শলাকায় প্যাকেট) বা প্যাকেট ও কৌটায় তামাকজাত দ্রব্যের পরিমাণ বেশি রেখে নির্দিষ্ট করা গেলে এবং প্লেইন প্যাকেজিং (কোন প্রকার লোগো, রং ও প্রচারণামূলক তথ্য ছাড়া শুধুমাত্র ব্রান্ড ও পণ্যের নাম উল্লেখ) প্রথা প্রচলন করতে পারলে সাধারণ জনগণ বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের মাঝে তামাক পণ্য ক্রয় করার সম্ভাবনা কমানো সম্ভব হবে। কানাডার ক্যান্সার সোসাইটির ঐ একই রিপোর্ট বলছে, সচিত্র সতর্কবার্তার পরিমাণ যত বেশি ফলাফল অর্জনে (জনগণকে নিরুসাহিতকরণে) তা তত বেশি কার্যকরী হবে।

তাই আমি মাননীয় প্রাধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগকে সমর্থন করছি এবং প্যাকেট বা মোড়কের সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০

শতাংশ করার এবং সব ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট, মোড়ক, কার্টন বা কৌটার আকার/আয়তন এবং এগুলোর মধ্যে ন্যূনতম কী পরিমাণ তামাকজাত দ্রব্য থাকবে তা নির্ধারণ করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

লেখকঃ মুক্তিযোদ্ধা জিয়ারুল ইসলাম, সাবেক পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর

 

এসবিএন