ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

জয়পুরহাটে হাড় কাঁপানো শীত, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস

স্বাধীনবাংলা, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : ১২:২২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪ ৪৯ বার পঠিত

সংগ্রহীত ছবি

সংবাদটি শেয়ার করুন :

স্বাধীনবাংলা, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার  (২২ জানুয়ারি) সকালে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

সোমবার সকাল ৭টায় নওগাঁর বদলগাছি আবহাওয়া কার্যালয়ের টেলিপ্রিন্ট অপারেটর আরমান হোসেন বলেন, বদলগাছিতে তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বদলগাছি ও জয়পুরহাট খুবই কাছাকাছি এলাকা এজন্য বদলগাছীর রেকর্ড জয়পুরহাটেও ধরা হয়ে থাকে।

তিনি জানান, সকাল ৭টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয় নওগাঁর বদলগাছীতে। এর আগে গতকাল রোববার বদলগাছীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়।

তিনি আরও জানান, জয়পুরহাটে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ না থাকায় জয়পুরহাট পাশের জেলা হওয়ায় বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তাপমাত্রা রেকর্ড ধরা হয়। এ বছরেই প্রথম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এখানে। এর আগে কখনও এমন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়নি।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন একেবারেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জয়পুরহাটে। কনকনে ঠান্ডার কারণে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার নাজেহাল অবস্থা। প্রচণ্ড ঠান্ডায় স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জেলায় এক সপ্তাহ ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। অধিকাংশ স্কুলে কমেছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রাথমিক ও জেলা শিক্ষা অফিসার   ২১ ও ২২ জানুয়ারি জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ ও মাধ্যমিকে ছুটি ঘোষণা করে।

এদিকে, জয়পুরহাটে আবহাওয়া অফিস না থাকায় বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুসরণ করা হয়। পাশাপাশি জেলা হওয়ায় বদলগাছী কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, জয়পুরহাটের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২১ জানুয়ারি ও ২২ জানুয়ারি প্রাথমিকে বিদ্যালয় খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও মাধ্যমিকে স্কুল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

তবে কোনও কোনও প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটির বিষয়টি জানতেন না। ফলে অনেক বিদ্যালয় খোলা রেখেছেন। এতে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।

 

এসবিএন

ট্যাগস :

জয়পুরহাটে হাড় কাঁপানো শীত, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস

প্রকাশের সময় : ১২:২২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪
সংবাদটি শেয়ার করুন :

স্বাধীনবাংলা, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার  (২২ জানুয়ারি) সকালে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

সোমবার সকাল ৭টায় নওগাঁর বদলগাছি আবহাওয়া কার্যালয়ের টেলিপ্রিন্ট অপারেটর আরমান হোসেন বলেন, বদলগাছিতে তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বদলগাছি ও জয়পুরহাট খুবই কাছাকাছি এলাকা এজন্য বদলগাছীর রেকর্ড জয়পুরহাটেও ধরা হয়ে থাকে।

তিনি জানান, সকাল ৭টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয় নওগাঁর বদলগাছীতে। এর আগে গতকাল রোববার বদলগাছীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়।

তিনি আরও জানান, জয়পুরহাটে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ না থাকায় জয়পুরহাট পাশের জেলা হওয়ায় বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তাপমাত্রা রেকর্ড ধরা হয়। এ বছরেই প্রথম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এখানে। এর আগে কখনও এমন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়নি।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন একেবারেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জয়পুরহাটে। কনকনে ঠান্ডার কারণে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার নাজেহাল অবস্থা। প্রচণ্ড ঠান্ডায় স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জেলায় এক সপ্তাহ ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। অধিকাংশ স্কুলে কমেছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রাথমিক ও জেলা শিক্ষা অফিসার   ২১ ও ২২ জানুয়ারি জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ ও মাধ্যমিকে ছুটি ঘোষণা করে।

এদিকে, জয়পুরহাটে আবহাওয়া অফিস না থাকায় বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুসরণ করা হয়। পাশাপাশি জেলা হওয়ায় বদলগাছী কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, জয়পুরহাটের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২১ জানুয়ারি ও ২২ জানুয়ারি প্রাথমিকে বিদ্যালয় খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও মাধ্যমিকে স্কুল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

তবে কোনও কোনও প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটির বিষয়টি জানতেন না। ফলে অনেক বিদ্যালয় খোলা রেখেছেন। এতে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।

 

এসবিএন